1. info@businessstdiobd.top : admin :
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

আসল সেগুণ কাঠ চিনুন, পল বা সার বুঝার উপায় জেনে নিন!

আমাদের দেশে মধ্য গ্রীষ্ম অথবা মধ্য শীতকালই গাছ কাটার উত্তম সময় কারণ ঐ সময়ে গাছের মধ্যে পল রস সঞ্চালন প্রায় বন্ধ থাকে। কাঠ যখন কাটা হয় তখন তাতে প্রচুর রস বিদ্যামান থাকে। পলরস সহ কাঠ কাজে লাগালে পরবর্তিতে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে কাঠ সংকুচিত হয় ও সম্প্রসারিত হয়। তাই কাঠের ব্যাবহারের পূর্বে তা থেকে পলরস বের করে নিতে হয়। পল শুঁকিয়ে এলে কাঠের সিজনিং ভালো হয়।

সদ্য চেরাই করা বা ভিজা কাঠ থেকে পানিকে কমিয়ে আবহাওয়ার সম-পরিমান করাকেই কাঠের সিজনিং বা মৌসুমীকরণ বলে। কাঠের টিম্বারের মাঝামাঝি আঙুলের ছাপের মতো দুটি ভিন্ন রঙের গোল গোল লেয়ার থাকে। এগুলোই যথাক্রমে পল ও সার। কাঠের ভিন্নতা ভেদে পল ও সাঁরের ভিন্নতা দেখা দেয়। মেহগিনী কাঠের সাঁর এবং পলের মধ্যে তেমন একটা রঙ্গের এবং গুনগত মানের পার্থক্য হয়না, ঠিক অনেকটা গামারি কাঠের মত।

গামারি কাঠের যেমন পুরোটাই সাদা, সাঁর এবং পলের মধ্যে কোন পার্থক্য বুঝা যায়না, ঠিক তদ্রুপ যশোরের মেহগিনী পরিপক্ক হলে সাঁর এবং পলের রঙ এবং গুনগত মানের কোন পার্থক্য থাকেনা। চিটাগাং সেগুনের মান অনেক উন্নত, ফাইবারও অনেক সুন্দর, কিন্তু বিভিন্ন কারনে বড় গাছগুলো আর কোনভাবেই কাটা হয়না। ছোট ও মাঝারী গাছগুলোই মার্কেটে পাওয়া যায়, যে কাঠগুলোর গুনগত মান খুব ভালো হয়না।

অনেক চেষ্টা করেও সেগুলো পলমুক্ত করতে পারেন না কাঠ মিস্ত্রিরা। যেখানে, চিটাগাং সেগুনে ১-২% পল থাকে, সেখানে অন্যান্য জায়গায় ৩০% পর্যন্ত পল থাকে। চিটাগাং সেগুনের পলে পোকা ধরেনা। নকল সেগুনের পল যতই রঙ দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করেন না কেন, তা দেখে বুঝা যায় এবং দেখতে খারাপ লাগে।

আসল সেগুন কাঠে পল আর সারের সামঞ্জস্য থাকার কথা, আপনি দেখেই বুঝতে পারবেন আসল বা নকল কিনা ! এক্ষেত্রে বার্ণিশের সাথে বার্মাটিক ব্যবহার করতে পারেন। পলিশ এবং বিটোমেন ছাড়া কোনভাবেই লাগানো উচিত নয়। না হলে কিউরিং করার সময় পল অংশ কালচে হয়ে যায় এবং সারি অংশের রঙ নষ্ট হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2019 Business Studio
Theme Developed BY Desig Host BD