1. info@businessstdiobd.top : admin :
  2. 123@abc.com : itsme :
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

৮২০ কোটি টাকার কোম্পানী পাঠাও! নেপথ্যে তিন বেকার!

ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম প্রতিষ্ঠান গো-জেকসহ বিভিন্ন দেশের কয়েকটি কোম্পানি হতে দ্বিতীয় রাউন্ডের বিনিয়োগ শেষে পাঠাও-এর অর্থমূল্য ৮২০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গো-জেক ছাড়া দ্বিতীয় রাউন্ডে বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলো হলো, ওপেনস্পেস ভেনচারস, ওসাইরিস গ্রুপ এবং ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংস।

তবে এই বিনিয়োগের পরিমাণ কতো তা প্রকাশ করা হয়নি। যদিও শোনা গেছে, পাঠাও অন্তত ২৫০ কোটি টাকা ফান্ডিং আশা করেছে।বিনিয়োগের পর কোম্পানি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, পাঠাও-এর মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮২০ কোটি টাকা।

পাঠাও-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেছেন, বিনিয়োগের টাকা ব্যবহার করে তারা আরও শহরগুলোতে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পাঠাও-পে অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা চালু করবেন। পাঠাওতে সিরিজ-এ ফান্ডিং করার জন্য যে সকল আন্তর্জাতিক কোম্পানির কাছে পাঠাও আবেদন করেছিল তার মধ্যে রাইড শেয়ারিং জায়ান্ট গো-জেক অন্যতম।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাঠাওতে সিরিজ-এ বিনিয়োগে এগিয়ে আসে গো-জেক। পরে নভেম্বর মাসেই গো-জেক পাঠাওতে বিনিয়োগ শুরু করে। তখন তারা ২০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছিল। তবে পাঠাও শুরু করার জন্য সিড মানি দিয়েছিল ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংস। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে এই অর্থ দেয় তারা।

তবে তখন কোম্পানিটি কত টাকা বিনিয়োগ করেছিল তা জানা যায়নি। সিরিজ-বি ফান্ডিং পর পাঠাও পরবর্তীতে শেয়ার বাজারে প্রবেশ করে কি না তা দেখার বিষয়-বলছেন বিশ্লেষকরা। কিছু করতে হবে এমন ভাবনা হতে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দুই বন্ধু হুসেইন মো. ইলিয়াস ও সিফাত আদনান ৩টি বাই সাইকেল নিয়ে নেমে পড়েন পণ্য ডেলিভারির কাজ করতে।

কার্যক্রম শুরু হলো ‘পাঠাও’ নামে। কিছুটা সফলতা পাওয়ার পর ডেলিভারির বাহনে আসে কয়েকটি মোটর সাইকেল। দুই বন্ধু চিন্তা করতে লাগলেন এই বাহন আরও কী কী কাজে লাগানো যায়।আর এমন ভাবনা হতেই ২০১৬ সালের শুরুর দিকে বাইকগুলোতে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: টেকশহর, সিএনবিসি এবং ডিল স্ট্রিট এশিয়া অবলম্বনে এস এম তাহমিদ।

আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2019 Business Studio
Theme Developed BY Desig Host BD