1. info@businessstdiobd.top : admin :
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০১:৩৭ অপরাহ্ন




নতুন গাড়ি ক্রেতাদের জন্য টয়োটা এক্সিও পরিচিতি!

বাংলাদেশে বর্তমান গাড়ির বাজারে সবচাইতে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হচ্ছে টয়োটা। মুলত আশির দশকে এর প্রসার শুরু হলেও কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশের প্রাইভেট গাড়ির বাজার প্রায় একচেটিয়া ভাবে দখল করে নেয় টয়োটা। এসব গাড়ির অধিকাংশই অবশ্য রিকন্ডিশন্ড। রিপেয়ার সার্ভিসের জন্য দক্ষ কারিগর ও স্পেয়ার পার্টসের সহজ প্রাপ্যতা এর বাজারকে বেশ শক্তিশালি করে রেখেছে।

টয়োটা ব্র্যান্ডের জনপ্রিয় গাড়ির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে করোলা এক্সিও(Corolla Axio) যা সেডান কারের জগতে অনন্য নাম। টয়োটা করোলা’র দশম জেনারেশন উন্মোচন করে ১০ই অক্টোবর, ২০০৬ জন্য এবং করোলা এক্সিও নামে বাজারে নিয়ে আসে। ২০১২ সালে করোলা’র একাদশ জেনারেশন বাজারে ছাড়ে টয়োটা।

ইঞ্জিন, গিয়ার বক্স ও চেসিস একই থাকলেও গাড়ির কমফোর্ট লেভেল এবং সুযোগ সুবিধা অনুযায়ি এক্সিও গাড়ি মূলত তিনটি গ্রেডের হয়ে থাকে; এগুলো হচ্ছে এক্সিও এক্স (Axio X), এক্সিও জি (Axio G) ও এক্সিও লাক্সেল/লুক্সেল (Axio Luxel)। নতুন গাড়ি ক্রেতারা এই পার্থক্যগুলো বুঝতে না পেরে সাধারণত বিভ্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন। তাদের সুবিধার্থে আজকের নিবন্ধে করোলা এক্সিওর বিভিন্ন গ্রেড ও তাদের ফিচারগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

axio x2: এক্সিও এক্স (Axio X) হচ্ছে এক্সিও সিরিজের বেসিক গাড়ি। দশম জেনারেশন অর্থাৎ ২০১২ জুনের আগে তৈরি এক্সিও এক্স (Axio X)গাড়িতে বেসিক যেসকল সকল সুযোগ সুবিধাগুলি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তা হচ্ছে, এসি,এইচ আইডি লাইট,অটো সিভিটি-গীয়ার,পাওয়ার স্টিয়ারিং,ব্যাক ক্যামেরা,সেন্ট্রাল লক ইত্যাদি। একাদশ জেনারেশন অর্থাৎ ২০১২ সালের জুলাই থেকে তৈরিকৃত এক্সিও এক্স গাড়িতে সফট টাচ এসিও পাওয়া যাচ্ছে।

toyota axio xaxio uden p: এক্সিও G- এর কমফোর্ট লেভেল X থেকে বেশি। এখানে যে সুবিধা পাবেন তা হচ্ছে সফট টাচ এসি/ অটো এসি/অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল এসি,কাপ হোল্ডার এবং আরপিএম মিটার। ২০১২ জুলাই পরবর্তি মডেলের গাড়িতে প্রজেকশন হেড-লাইটও থাকবে। G লিমিটেড ভার্সনে পেতে পারেন পুশ স্টার্ট, উডেন প্যানেল, উডেন স্টিয়ারিং ইত্যাদি।

X এবং G এর মাঝামাঝি বিশেষ গ্রেড হলো এক্স লিমিটেড ও এক্স এক্সট্রা লিমেটেড। এক্স লিমিটেড ভার্সনে থাকবে প্রজেকশন হেড লাইট, আর এক্স এক্সট্রা লিমেটেড ভার্সনে জি লিমিটেড-এর প্রায় সব সুবিধাই পেতে পারেন, তবে এক্স লিমিটেড হোক আর এক্স এক্সট্রা লিমেটেড হোক এক্স-এর কোন ভার্সনেই প্যাসেঞ্জার সীট-এর কাপ হোল্ডার থাকবে না।

frontl: G গ্রেডের চেয়ে দামি ভার্সন G luxel। এই গ্রেডের গাড়িতে G limited- এর সুবিধাগুলো যেমন উডেন পেনেল, উডেন আর্ম রেস্ট,প্রজেকশন হেড লাইট তো থাকবেই, আরো থাকতে পারে উডেন আর্ম রেস্ট,প্রজেকশন হেড লাইট, উডেন মিডিয়া বক্স, ফগ লাইট ইত্যাদি। Luxel গাড়ির সিগনেচার সাইন হচ্ছে এর বিশেষ ফ্রন্ট গ্রিল।

টয়োটা এক্সিও-র এগারোতম জেনারেশনের অর্থাৎ ২০১২ এর নিউ শেপের জি লিমিটেড ও luxel গাড়িতে অতিরিক্ত ফিচার হিসেবে কিছু অপশনাল আলাদা নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পেতে পারেন। এগুলো হচ্ছে- ১. এখানে রয়েছে রাডার ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম যা নিরাপদ গতি এবং দুরত্ব বজিয়ে রাখতে গাড়িকে সাহায্য করে।

২. ইন্‌টিলিজেন্ট পার্কিং অস্সিস্ট সিস্টেম গাড়ির আশেপাশের অবস্থার ওপর নির্ভর করে পার্কিং করতে সাহায্য করে। ৩. প্রি-ক্র্যাশ সেফটি সিস্টেম এক্সিওর সবচেয়ে ভালো বৈশিষ্ট গুলোর মধ্যে একটা। মিলিমিটার ওয়েভ রাডারের সাহায্যে গাড়িটা কোনো কিছুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছে কি না, তা বুঝতে পারে, আর সিট্-বেল্টের রিস্ট্রেনিং ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, আর ব্রেক এসিস্ট কলিশনের গতি কমাতে সাহায্য করে।

দরদামঃ বাংলাদেশে ফিচার,মাইলেজ,তৈরির সাল ইত্যাদির উপর নির্ভর করে রিকন্ডিশন্ড টয়োটা এক্সিও এর দাম ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকার মত হতে পারে। আমাদের দেশে অবশ্য X গ্রেডের গাড়ি ক্রেতাই বেশি। এ কারনে Gগ্রেডের গাড়ি কম আসে এবং জি লিমিটেড ও Luxel গ্রেডের গাড়ি আসে না বললেই চলে। লেখক: মাহমুদ। তথ্যসূত্র: চাকা বিডি।




আরো পড়ুন




© All rights reserved © 2019 Business Studio
Theme Developed BY Desig Host BD