1. info@businessstdiobd.top : admin :
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন




১ কেজি ধান ফলাতে অপচয় হয় ৮০০ লিটার পানি

মাছে-ভাতে বাঙালি-কথাটার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। দুবেলা দুমুঠো ভাত না হলে যেন বাঙালিদের চলেই না। তবে বাংলাদেশের কৃষকদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে এই ধান ফলাতে প্রচুর পরিমাণ পানি নষ্ট হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতি কেজি ধান উৎপন্ন করতে অপচয় হচ্ছে ৮০০ লিটার পানি।

অপচয়ের মূল কারণ হচ্ছে কৃষকদের সেচ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব। যেখানে এক কেজি ধান ফলাতে ২ হাজার ৫০০ লিটার পানিই যথেষ্ট, সেখানে কৃষকদের লাগছে ৩ হাজার ৩০০ লিটার পানি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসিরুজ্জামান ইউএনবিকে জানান, এর আগে এক কেজি ধান ফলাতে কৃষকদের প্রয়োজন হতো ৫ হাজার লিটার পানি। তবে বর্তমানে তা কমে ৩ হাজার ৩০০ লিটারে নেমেছে।

নুরুজ্জামান আরও জানান, নির্দিষ্ট মাপের জমিতে সেচের জন্য গভীর নলকূপের মালিকদের এক মৌসুমের পুরো টাকাই দিতে হয়। যেহেতু তারা পুরো অর্থই দিয়ে দেয় তাই পানি সংরক্ষণের বিষয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা থাকে না।

সেচের জন্য কৃষকেরা সাধারণত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), বরেন্দ্র মাল্টিপারপাস ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (বিএমডিএ) ও নিজস্ব মালিকানাধীন গভীর নলকূপের ওপর নির্ভর করে। দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৩৬ হাজার গভীর নলকূপ, ১৪ লাখ শ্যালো মেশিন এবং ১৬ লাখ হাইড্রোলিক মেশিন রয়েছে।

বাংলাদেশে সাধারণত ৪৭ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো, ১১ লাখ হেক্টর জমিতে আউশ ও ৫৫ লাখ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়। এসব জমি থেকে প্রতিবছর ১ কোটি ৯৫ লাখ টন ধান উৎপন্ন হয়, যেখানে অপচয় হচ্ছে শত শত কোটি লিটার পানি।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনর (বিএডিসি) জরিপ অনুযায়ী, কৃষকরা মোট চাহিদার মাত্র ২৫ শতাংশ পানি ভূপৃষ্ঠ থেকে সংগ্রহ করে। বাকি পানি আসে ভূগর্ভ থেকে। কিন্তু বছর পঞ্চাশেক আগে ফিরে গেলে দেখা যায় সম্পূর্ণ আলাদা দৃশ্যপট। ১৯৬০-৭০ এর দশকে চাষাবাদের জন্য কৃষকরা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ শতাংশ ও ভূগর্ভ থেকে ২০ শতাংশ পানি পেতেন।




আরো পড়ুন




© All rights reserved © 2019 Business Studio
Theme Developed BY Desig Host BD